1. admin@notundesh24.com : admin : Md.Murad Hossain
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৫:২৭ অপরাহ্ন

ভাড়াটিয়ারা ঘর ছেড়ে পালাচ্ছেন

  • আপডেট : রবিবার, ২১ জুন, ২০২০
  • ২৬৯ দেখেছে

অনেক ভাড়াটিয়া তারা তাদের বাড়ি ভাড়া না দিতে পেরে ঘরে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন অন্যত্র। কোভিড -১৯ এর প্রভাবে ব্যবসা বানিজ্য , নির্মান সহ সব খাত স্থবির হয়ে পড়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে রাজধানীর লাখ মানুষ। সরকারি বা বেসরকারি সহায়তায় কিছু সাহায্য পেলেও ঘর ভাড়া দিতে পারছেননা নিম্নমধ্যোবিত্ত মানুষেরা। এর ফলে গত তিন মাসে রাজধানী ছেড়ে গ্রামে চলে অসংখ্য পরিবার। ঘর ভাড়া বাকি পড়ায় অনেকে মালপত্র রেখেই পালিয়ে গেছে। কেউ বা রাতের আধারে জতটুকু মালামাল নিয়ে যাওয়া সম্ভব তাই নিয়ে চলে গেছে। রাজধানী জুড়ে শুধু টু-লেট। গত কয়েকদিনে রাজধানীর বিভিন্ন পেশার মানুষের সাথে কথা বললে এমন চিত্র সামনে আসে। এমন পরিস্থিতিতে ভাড়িওলারা ভাড়া কমিয়ে হলেও ভাড়াটিয়া রাখার চেস্টা চলছে। কিন্তু অনেকের কাজ না থাকায় সেই সামর্থও নেই। এদিকে রাজধানীর ভটারা এলাকা থেকে গত দুই মাসে প্রায় শতাদিক পরিবার গ্রামে চলে গেছে। টু-লেখা ঝেুলছে প্রায় বিল্ডিংএ । অনেকেই ভাড়া বকেয়া রেখে পালিয়ে গেছে। রাজধানীর ভাটারার ছোলাইমদ ও বসুমতি এলাকায় বসবাস করে মূলত গৃহকর্মী, নির্মান শ্রমিক, ও রিক্সাচালক,এর মধ্যে কিছ রিকশাচালক টিকে থাকলেও কাজ হারিয়েছেন গৃহকর্মী, নির্মান শ্রমিক। গত তিন মাসে হাজী বদর উদ্দিনের ৮টি ভড়াটিয় চলে গেছেন। বদর উদ্দিন জানান করোনা শুরুতে তার তিন ভাড়াটিয়া ভাড়া না দিয়ে চলে গেছে। তাদের ঘরে তেমন কোনও মালামালও ছিলনা।

এদিকে কুড়িলের কুড়াতলি একটি কক্ষে থাকতেন চার জন ,ভাড়া দিতেন সাড়ে তিন হাজার টাকা। তাদের মধ্যে একজন ফুটপাতে কাপড় বিক্রি করতেন ,দুজন নির্মান শ্রমিক ও এক জন সুপার শপে কাজ করতেন। করোনার কারনে কাজ না থাকায় গ্রামের বাড়ি চলে যায় দুই নির্মান শ্রমিক , তারা তাদের ভাড়া বকেয়া রেখে যান এখন ভাড়িওলা অপর দুজনকে ভাড়ার জন্য চাপ দেন । তাদেরকে ফোন করলে তারা টাকা পাঠাতে পারবেনা বলে দেয় এবং বাসা ছেড়ে দেয় । জিনি সুপার শপে কাজ করতেন গত মে মাসে তারও চাকুরি চলে যায় , এখন তিনি চাকুরির জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুড়ে বেড়াচ্ছেন তবুও চাকুরি যোগাড় করতে পারছেন না। তিনি যে এখন ঘর ভাড়া পরিশোধ করে বাড়ি যাবেন সে টাকাও তার কাছে নেই।

এদিকে পশ্চিম রাজাবাজারে অধিকাংশ ছাত্র মেস গুলো খালি পড়ে আছে ঝুলছে টু-লেট। কেয়ারটেকারদের সাথে কথা বলে যানা যায় স্কুল কলেজ ছুটি হবার পর অধিকাংশ মেস খালি হয়ে গেছে। তারা ফোন করে বাসা ছেঢ়ে দিচ্ছে এবং বকেয় টাকাও দিচ্ছে না । এমন পরিস্থিতিতে অনেক কেয়ার টেকার বেতনও পাচ্ছে না আবার অনেকে চাকুরি হারাবার ভয় ও পাচ্ছে।

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই কেটাগরির আরো খবর

করোনাভাইরাস

Home | About US | Privacy Policy | Contact Us | Sitemaps
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি.
কারিগরি সহযোগীতায় : আইটি বিভাগ