1. admin@notundesh24.com : admin : Md.Murad Hossain
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন

আগে ছিলেন স্কুলশিক্ষক বর্তমানে দিনমজুর

  • আপডেট : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২০
  • ১৭৫ দেখেছে
ছবি: বিরাম চন্দ্র বিশ্বাস

নতুন দেশ২৪.কম : যশোরের বিরাম চন্দ্র বিশ্বাস আগে ছিলেন স্কুলশিক্ষক এখন কাজ করেন দিনমজুরের। তাকে শ্রমিক বানিয়েছে সর্বগ্রাসী করোনা। বিরাম চন্দ্র বিশ্বাস কখনো পুকুরে জাল টেণে ও কখনো কারও খেতে শ্রমিক হিসাবে কাজ করে উপার্যন করছেন। তার পরিবারে দুই ছেলে এক মেয়ে স্ত্রী ও বৃদ্ধ মা। সবাইকে নিয়ে এভাবেই বেচে থাকার চেষ্টা করছেন তিনি। তবে এখানেও তার অনেক বিপত্তি। তিনি হওয়ার কারনে অনেকে তাকে চক্ষু লজ্জার ভয়ে কেউ কাজে নিতে চায়না । সে কারনে অনেক সময় তিনি কাজ ও পান না। বিরাম চন্দ্র বিশ্বাসের এ করুন কাহিনি এক নন এমপিও শিক্ষকের মাধ্যমে জানা যায়। শিক্ষক বিরাম চন্দ্র বিশ্বাসের সাথে গত ২২ জুন সকালে কথা হয়। তখন তিনি যশোরে মাছের পোনা বিক্রির কাজ করছিলেন। প্রথমে তিনি তার কথা বলতে রাজি হননি পরে তিনি সব কিছু ভুলে গিয়ে তার মানবেতর জীবন সংগ্রামের কথা বলেছেন। বিরাম চন্দ্র যশোরের বালাডাঙ্গা গ্রামের বি এম এস নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক। তিনি বলেন করোনার আগে শিক্ষার্থীদের দেয়া বেতনের থেকে কিছু টাকা ও টিউশনি করে কিছু উপার্যন করে সংসার চালাতাম । এখন তো সবই বন্ধ। এ কারনে আমাদের সকলের জীবন অচল হয়ে পড়েছে। আমাদের স্কুল নন এমপিও হওয়ায় আমরা কো সহযোগিতা পাইনা। তাই বেছে থাকার তাগিদে আমরা অন্যের খেতে দিন মজুরের কাজ করতেও দ্বিদা করছিনা যখন যে কাজ পাচ্ছি তখন সে কাজ করতেছি। মাজে মাজে আমাদের কাজেও নিতে চায়না। বিরাম চন্দ্র বিশ্বাসের প্রতিবেশি গত মঙ্গলবার দিলিপ কুমারের সংঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন বাধ্যহয়েই বিরা চন্দ্র দিন মজুরের কাজ করছেন। তবে তনি শিক্ষক হওয়ার কারনে অনেকে তাকে কাজেনিতে লজ্জাবোধ করেন। যেমন আমি নিজেই গত সপ্তাহে অন্য লোক দিয়ে আমার পুকুরের মাছ ধরিয়েছি। তাকে শ্রমিক হিসাবে কাজ করতে বলতে খারাপ লাগে।

বিরাম চন্দ্রের মত খারাপ অবস্থা একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সহ সকল শিক্ষক গনের। শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন বিরাম চন্দ্রের মত এমন অবস্থা সকল নন এমপিও স্কুল কলেজ মাদ্রাসার অসংখ্য শিক্ষক কর্মচারী এই বর্তমান সময়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। পদমর্যাদার কারনে তারা না পারছেন হাত পাততে না পারছেন কাউকে কিছু বলতে। তারা তাদের পরিচয় গোপন করে অন্য এলাকায় গিয়ে উপার্যন করার চেস্টা করছে। যশোর জেলার সাধারন সম্পাদক রাশেদুজ্জামান জানান ,যশোরে ৮ উপজেলায় ২৪৭টি নন এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। ১৮শ ৩০ জন শিক্ষক ও ৩শ ৬১ জন কর্মচারী রয়েছে এসব নন এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। তারা কোন সরকারি বেতন বা সহায়তা পাননা শিক্ষার্থীদের দেওয়া বেতন থেকে তাদের বেতন দেয়া হয় যা খুব সামান্য এবং তারা এর পাশাপাশি টিউশনি করেই মূলত সংসার চালান।

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই কেটাগরির আরো খবর

করোনাভাইরাস

Home | About US | Privacy Policy | Contact Us | Sitemaps
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি.
কারিগরি সহযোগীতায় : আইটি বিভাগ